• Office Hours: 8:00 AM – 8:00 PM
📖

জিন-যাদু এবং বিভিন্ন ক্ষতি থেকে নিরাপদ থাকতে

দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মাসনুন দোয়া সমূহের সংকলন

হিফাজতের প্রাথমিক দোয়া

সকাল-সন্ধ্যায় • ৫টি দোয়া (তিনকুল সহ)

لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَحْدَہٗ لاَ شَرِيْكَ لَہٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
উচ্চারণ: লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ইউহ্‌ য়ী ওয়া ইউমীতু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর।
অর্থ: একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; তিনি জীবিত করেন, তিনিই মৃত্যু দেন, আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
— আহমাদ ২৩০০৭
أَعُوْذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۚاَلْحَیُّ الْقَیُّوْمُ ۚ لَا تَاْخُذُہٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوْمٌ ؕ لَہٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الْاَرْضِ ؕ مَنْ ذَا الَّذِیْ یَشْفَعُ عِنْدَہٗۤ اِلَّا بِاِذْنِہٖ ؕ یَعْلَمُ مَا بَیْنَ اَیْدِیْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۚوَلَا یُحِیْطُوْنَ بِشَیْءٍ مِّنْ عِلْمِہٖۤ اِلَّا بِمَاشَآءَ ۚوَسِعَ كُرْسِیُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ ۚوَلَا یَـُٔوْدُہٗ حِفْظُهُمَا ۚوَهُوَ الْعَلِیُّ الْعَظِیْمُ ﴿۲۵۵﴾
অর্থ: বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।
আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না, নিদ্রাও নয়। আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে যা রয়েছে সবই তাঁর। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না। তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে; আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। আর তিনি সুউচ্চ সুমহান।
— হাকিম ১/৫৬২, তারিখে কাবির ১/২৪
أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰه ِالتَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
উচ্চারণ: আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক্ব।
অর্থ: আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের ওসিলায় আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।
— তিরমিযি ৩৫৫৯
بِسْمِ اللّٰه ِالَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهٖ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ
উচ্চারণ: বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আ ইস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম
অর্থ: আল্লাহ্‌র নামে; যাঁর নামের সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।
— তিরমিযি ৩৩৮৮
حَسْبِيَ اللّٰهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ
উচ্চারণ: হাসবিয়াল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম
অর্থ: আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি তাঁর উপরই ভরসা করি। আর তিনি মহান আরশের রব্ব।
— আবু দাউদ ৫০৮১
بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیۡمِ
قُلْ ہُوَ اللہُ اَحَدٌ ﴿۱﴾ اَللہُ الصَّمَدُ ﴿۲﴾ لَمْ یَلِدْ ۬ۙ وَ لَمْ یُوۡلَدْ ﴿۳﴾ وَ لَمْ یَكُنۡ لَّہٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿۴﴾

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیۡمِ
قُلْ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿۱﴾ مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿۲﴾ وَ مِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ﴿۳﴾ وَ مِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الْعُقَدِ ﴿۴﴾ وَ مِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴿۵﴾

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیۡمِ
قُلْ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿۱﴾ مَلِکِ النَّاسِ ﴿۲﴾ اِلٰہِ النَّاسِ ﴿۳﴾ مِنۡ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ۬ۙ الْخَنَّاسِ ﴿۴﴾ الَّذِیۡ یُوَسْوِسُ فِیۡ صُدُوۡرِ النَّاسِ ﴿۵﴾ مِنَ الْجِنَّۃِ وَ النَّاسِ ﴿۶﴾
অর্থ: বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।

বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।

বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।
— তিরমিযি ৩৫৭৫
নিরাপত্তার প্রাথমিক দোয়া

নিরাপত্তার প্রাথমিক দোয়া

সকাল-সন্ধ্যায় • ৬টি দোয়া (তিনকুল সহ)

بِسْمِ اللّٰه ِالَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهٖ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ

উচ্চারণ: বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আ ইস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম

অর্থ: আল্লাহ্‌র নামে; যাঁর নামের সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।

তিরমিযি ৩৩৮৮

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰه ِالتَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

উচ্চারণ: আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক্ব।

অর্থ: আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের ওসিলায় আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।

তিরমিযি ৩৫৫৯

حَسْبِيَ اللّٰهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ

উচ্চারণ: হাসবিয়াল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম

অর্থ: আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি তাঁর উপরই ভরসা করি। আর তিনি মহান আরশের রব্ব।

আবু দাউদ ৫০৮১

لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَحْدَہٗ لاَ شَرِيْكَ لَہٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

উচ্চারণ: লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ইউহ্‌ য়ী ওয়া ইউমীতু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর।

অর্থ: একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; তিনি জীবিত করেন, তিনিই মৃত্যু দেন, আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

আহমাদ ২৩০০৭

أَعُوْذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۚاَلْحَیُّ الْقَیُّوْمُ ۚ لَا تَاْخُذُہٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوْمٌ ؕ لَہٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الْاَرْضِ ؕ مَنْ ذَا الَّذِیْ یَشْفَعُ عِنْدَہٗۤ اِلَّا بِاِذْنِہٖ ؕ یَعْلَمُ مَا بَیْنَ اَیْدِیْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۚوَلَا یُحِیْطُوْنَ بِشَیْءٍ مِّنْ عِلْمِہٖۤ اِلَّا بِمَاشَآءَ ۚوَسِعَ كُرْسِیُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ ۚوَلَا یَـُٔوْدُہٗ حِفْظُهُمَا ۚوَهُوَ الْعَلِیُّ الْعَظِیْمُ ﴿۲۵۵﴾

অর্থ: বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি। আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে মহাশূন্যে ও যমীনে যা রয়েছে সবই তাঁর। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না। তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে; আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। আর তিনি সুউচ্চ সুমহান।

হাকিম ১/৫৬২, তারিখে কাবির ১/২৪

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیۡمِ
قُلْ ہُوَ اللہُ اَحَدٌ ﴿۱﴾ اَللہُ الصَّمَدُ ﴿۲﴾ لَمْ یَلِدْ ۬ۙ وَ لَمْ یُوۡلَدْ ﴿۳﴾ وَ لَمْ یَكُنۡ لَّہٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿۴﴾

অর্থ: বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।


بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیۡمِ
قُلْ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿۱﴾ مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿۲﴾ وَ مِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ﴿۳﴾ وَ مِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الْعُقَدِ ﴿۴﴾ وَ مِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴿۵﴾

অর্থ: বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।


بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیۡمِ
قُلْ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿۱﴾ مَلِکِ النَّاسِ ﴿۲﴾ اِلٰہِ النَّاسِ ﴿۳﴾ مِنۡ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ۬ۙ الْخَنَّاسِ ﴿۴﴾ الَّذِیۡ یُوَسْوِسُ فِیۡ صُدُوۡرِ النَّاسِ ﴿۵﴾ مِنَ الْجِنَّۃِ وَ النَّاسِ ﴿۶﴾

অর্থ: বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।

তিরমিযি ৩৫৭৫

নিরাপত্তার ও ফজিলতের আরও দোয়া়া

নিরাপত্তার ও ফজিলতের আরও দোয়া

সকাল-সন্ধ্যায় আমলযোগ্য

যে ব্যক্তি সকালে অথবা সন্ধ্যায় এই দোয়া পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে সেই সময় পর্যন্ত সকল বিপদ ও দুর্যোগ থেকে রক্ষা করবেন।

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ عَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَأَنْتَ رَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ، مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ وَمَا لَمْ يَشَأْ لَمْ يَكُنْ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، أَعْلَمُ أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي وَمِنْ شَرِّ كُلِّ دَابَّةٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا إِنَّ رَبِّي عَلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ُ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আলাইকা তাওয়াক্কালতু, ওয়া আনতা রব্বুল আরশিল কারীম। মাশাআল্লাহু কানা, ওয়া মা লাম ইয়াশা লাম ইয়াকুন। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজীম। আ’লামু আন্নাল্লাহা আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। ওয়া আন্নাল্লাহা ক্বাদ আহাতা বিকুল্লি শাইয়িন ইলমা। আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন শাররি নাফসী, ওয়া মিন শাররি কুল্লি দাব্বাতিন আনতা আ-খিজুম বিনাসিয়াতিহা। ইন্না রব্বী আলা সিরাতিম মুস্তাকীম।

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমার পালনকর্তা, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার ওপরই ভরসা করেছি। আপনিই সম্মানিত আরশের মালিক। আল্লাহ যা ইচ্ছা করেছেন, তাই হয়েছে। আর যা তিনি চাননি, তা হয়নি। আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি বা সামর্থ্য নেই। আমি জানি আল্লাহ সবকিছুর ওপর ক্ষমতাশালী এবং সবকিছুতে তাঁর পূর্ণ জ্ঞান বিদ্যমান। হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই আমার নিজের অনিষ্ট থেকে এবং প্রত্যেক প্রাণীর মন্দ থেকে, যাদের কপাল আপনি ধরে রেখেছেন। নিশ্চয়ই আমার রব সরল ও সঠিক পথে আছেন।

তাবারানী;আদ-দুআ ৩৪৩

اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ ﷺ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ بِكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ ﷺ وَأَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ الْبَلاَغُ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ َ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকা মিনহু নাবিইয়্যুকা মুহাম্মাদুন ﷺ ওয়া নাউযু বিকা মিন শাররি মাস্তাআ-যা বিকা মিনহু নাবিইয়্যুকা মুহাম্মাদুন ﷺ, ওয়া আংতাল-মুস্তাআনু, ওয়া আলাইকাল বালাগ, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে সেই সব কল্যাণ প্রার্থনা করি, যেসব কল্যাণের প্রার্থনা তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) করেছেন। আর সেই সব অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যেসব অনিষ্ট থেকে তোমার নবী (ﷺ) আশ্রয় নিয়েছেন। তুমি হলেন তিনি, যার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা যায়। সমস্ত বার্তাপ্রদান তোমার উপর নির্ভরশীল। আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই।

তিরমিযি ৩৫২১

ইবন উমর (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকালে এবং সন্ধ্যায় কখনোই নিম্নোক্ত কথাগুলো পড়া বাদ দিতেন নাঃ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ، وَأَهْلِي وَمَالِي. اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي. اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ مِنْ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي.

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল- ‘আ-ফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরাতি। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল-‘আ-ফিয়াতা ফী দীনী ওয়াদুনইয়াইয়া, ওয়া আহ্‌লী ওয়া মা-লী, আল্লা-হুম্মাসতুর ‘আওরা-তী ওয়া আ-মিন রাও‘আ-তি। আল্লা-হুম্মাহফাযনী মিম্বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খালফী ওয়া ‘আন ইয়ামীনী ওয়া শিমা-লী ওয়া মিন ফাওকী। ওয়া আ‘ঊযু বি‘আযামাতিকা আন উগতা-লা মিন তাহ্‌তী

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের সুস্থতা চাই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার ধর্মে, দুনিয়ায়, পরিবারে এবং সম্পত্তিতে ক্ষমা ও সুস্থতা চাই। হে আল্লাহ! আমার অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ঢেকে দিন এবং আমার ভয় শান্ত করুন। হে আল্লাহ! আমাকে সামনের দিক থেকে, পিছনের দিক থেকে, ডান ও বাম দিক থেকে এবং উপর থেকে রক্ষা করুন। আমি আপনার মহানত্বের দ্বারা আশ্রয় চাই যাতে আমি নিচ থেকে কোনো ক্ষতি দ্বারা অভিভূত না হই।

আল-আদাবুল মুফরাদঃ ১২০০

এই দোয়া নিয়মিত পাঠ করলে শয়তান ও দুষ্ট জিনের মন্দ প্রভাব থেকে নিরাপত্তা লাভ করা যায় এবং মনে-প্রাণে শান্তি আসে।

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّةِ، مِنْ غَضَبِهٖ وَعِقَابِهٖ وَشَرِّ عِبَادِهٖ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ وَأَنْ يَّحْضُرُوْنِ

উচ্চারণ: আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লাহিত্তা-ম্মাতি মিন গাদাবিহি ওয়া ইকা-বিহি ওয়া শাররি ‘ইবা-দিহি ওয়ামিন হামাযা-তিশ শায়া-তিনি ওয়া আই-ইয়াহদুরূন।

অর্থ: আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামসমূহের দ্বারা আশ্রয় চাই তাঁর ক্রোধ থেকে, তাঁর শাস্তি থেকে এবং তাঁর বান্দাদের অনিষ্ট থেকে, আর শয়তানদের কুমন্ত্রণা থেকে এবং তাদের উপস্থিতি থেকে।

সূনানে আবু দাউদ ৩৮৫৩

اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِوَجْهِكَ الْكَرِيْمِ ، وَكَلِمَاتِكَ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ ، اللَّهُمَّ أَنْتَ تَكْشِفُ الْمَغْرَمَ وَالْمَأْثَمَ ، اللَّهُمَّ لَا يُهْزَمُ جُنْدُكَ ، وَلَا يُخْلَفُ وَعْدُكُ ، سُبْحَانَكَ وَبِحَمْدِكَ

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযু বিওয়াজহিকাল কারীম, ওয়াকালিমা-তিকাত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা- আংতা আখিযুম বিনা-সিয়াতিহ। আল্লা-হুম্মা আংতা তাকশিফুল মাগরামা ওয়াল মা'ছাম। আল্লা-হুম্মা লা- য়ুহঝামু জুনদুক, ওয়ালা য়ুখলাফু ওয়া'দুক, সুবহানাকা ওয়াবিহামদিক

অর্থ:হে আল্লাহ! তােমার দয়ালু ও পবিত্র স্বত্বা আর তােমার পরিপূর্ণ কালেমার মাধ্যমে সেই সকল কিছুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যা তােমার আয়ত্বাধীন রয়েছে। হে আল্লাহ তুমি পাপ ও দেনা মুক্তকারী। হে আল্লাহ তােমার সেনাদল পরাস্থ হয় না আর না তােমার ওয়াদা ভঙ্গ হয়। আমরা তােমারই গুণকীর্তন ও প্রশংসা বর্ণনা করি।

মিশকাতুল মাসাবিহঃ ২৪০৩

রাসূল সাঃ প্রত্যেক সকালে এবং সন্ধায় তিনবার করে এই দোয়াটি পাঠ করতেন।

اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَدَنِيْ، اللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ سَمْعِيْ، اللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَصَرِيْ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، -

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাদানী, আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী সাম্‘ঈ আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাসারী। লা ইলা-হা ইল্লা আনতা।

অর্থ:হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার শরীরে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার শ্রবণশক্তিতে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

ফিকহুস সুনান ২৬৯৪

একদা রাসূল সাঃ হযরত ফাতিমা রাঃ কে বলেন, আমি তোমাকে সকালবেলা ও সন্ধায় এই দোয়াটি পাঠের উপদেশ দেই, তা শুনতে তোমার বাঁধা কিসে? আর দোয়াটি হল এইঃ

يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثُ، أَصْلِحْ لِيْ شَأْنِيْ كُلَّهٗ، وَلَا تَكِلْنِيْ إِلٰى نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ،

উচ্চারণ: ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যূমু বিরহ্‌মাতিকা আস্তাগীসু, আসলিহ্‌ লী শা’নী কুল্লাহু, ওয়ালা তাকিলনী ইলা নাফসী ত্বারফাতা ‘আইন।

অর্থ:হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী! আমি আপনার রহমতের অসীলায় আপনার কাছে উদ্ধার কামনা করি, আপনি আমার সার্বিক অবস্থা সংশোধন করে দিন, আর আমাকে আমার নিজের কাছে নিমেষের জন্যও সোপর্দ করবেন না।

হাকিম ১/৫৪৫

‘যদি কেউ সকাল-সন্ধ্যায় বিশ্বাসের সঙ্গে সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পাঠ করে, সে যদি ওই দিন রাত্রে বা দিবসে ইন্তেকাল করে, তাহলে সে জান্নাতি হবে।’

اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوْءُ بِذَنْۢبِيْ فَاغْفِرْ لِيْ فَإِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ.

উচ্চারণ:আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূউলাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী। ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা।

অর্থ:হে আল্লাহ্‌! আপনি আমার রব্ব, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আর আমি আমার সাধ্য মতো আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির উপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনি আমাকে আপনার যে নিয়ামত দিয়েছেন তা আমি স্বীকার করছি, আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ। অতএব আপনি আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করে না।

বুখারি ৬৩০৬

আবু বকর রাঃ একদিন বললেন "ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এমন কিছু বিষয় বলুন যা আমি সকাল সন্ধায় পাঠ করতে পারি। তিনি সাঃ বললেন, তুমি সকালে, সন্ধায় ও শয্যাগ্রহনের সময় বলবেঃ

اَللّٰهُمَّ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَاطِرَ السَّمٰوَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَّمَلِيْكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَ شِرْكِهِ ، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلٰى نَفْسِيْ سُوْءًا، أَوْ أَجُرَّهُ إِلٰى مُسْلِمٍ

উচ্চারণ:আল্লা-হুম্মা আ-লিমাল গাইবি ওয়াশ্‌শাহা-দাতি ফা-ত্বিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, রব্বা কুল্লি শাই’ইন ওয়া মালীকাহু, আশহাদু আল-লা ইলা-হা ইল্লা আনতা। আ‘উযু বিকা মিন শাররি নাফ্‌সী ওয়া মিন শাররিশ শাইত্বা-নি ওয়াশিরকিহী ওয়া আন আক্বতারিফা ‘আলা নাফ্‌সী সূওআন আউ আজুররাহূ ইলা মুসলিম

অর্থ:হে আল্লাহ! হে গায়েব ও উপস্থিতের জ্ঞানী, হে আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা, হে সব কিছুর রব্ব ও মালিক! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আমার আত্মার অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্টতা থেকে ও তার শির্ক বা তার ফাঁদ থেকে, আমার নিজের উপর কোনো অনিষ্ট করা, অথবা কোনো মুসলিমের দিকে তা টেনে নেওয়া থেকে।

তিরমিযি ৩৬২৯

এক রাতে জিন-শয়তানরা রাসূল ﷺ-কে আক্রমণ করতে চেয়েছিল। তাদের একজন আগুনের শিখা নিয়ে তাঁর মুখ জ্বালাতে এগিয়ে আসে। তখন জিবরাইল (আঃ) এসে বললেন: “হে মুহাম্মদ! আপনি এই দোয়া পড়ুন…” রাসূল ﷺ দোয়া পড়লেন— ফলে তাদের আগুন নিভে গেল এবং আল্লাহ তাদের পরাজিত করলেন।

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ الَّتِيْ لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ ، مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَذَرَأَ وَبَرَأَ ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيْهَا ، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِى الْأَرْضِ ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا ، وَمِنْ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ طَوَارِقِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمٰنُ

উচ্চারণ:আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্-তা-ম্মা-তিল্লাতী লা ইয়ুজাউইযুহুন্না বাররুন ওয়ালা ফা-জিরুম মিন শাররি মা খালাক্বা, ওয়া বারা’আ, ওয়া যারা’আ, ওয়ামিন শাররি মা ইয়ানযিলু মিনাস্ সামা-য়ি, ওয়ামিন শাররি মা যারাআ ফিল আরদ্বি, ওয়ামিন শাররি মা ইয়াখরুজু মিনহা, ওয়ামিন শাররি ফিতানিল-লাইলি ওয়ান-নাহা-রি, ওয়ামিন শাররি কুল্লি ত্বা-রিকিন ইল্লা ত্বা-রিকান ইয়াত্বরুকু বিখাইরিন, ইয়া রহ্‌মানু

অর্থ:আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না— আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

আহমাদ ১৫৪৬১

ফজিলতপূর্ণ আরও কিছু দোয়া

ফজিলতপূর্ণ আরও কিছু দোয়া

সকাল-সন্ধ্যায় আমলযোগ্য

যে ব্যক্তি সকালে অথবা সন্ধ্যায় এই দোয়া পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে সেই সময় পর্যন্ত সকল বিপদ ও দুর্যোগ থেকে রক্ষা করবেন।

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ عَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَأَنْتَ رَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ، مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ وَمَا لَمْ يَشَأْ لَمْ يَكُنْ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، أَعْلَمُ أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي وَمِنْ شَرِّ كُلِّ دَابَّةٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا إِنَّ رَبِّي عَلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ُ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আলাইকা তাওয়াক্কালতু, ওয়া আনতা রব্বুল আরশিল কারীম। মাশাআল্লাহু কানা, ওয়া মা লাম ইয়াশা লাম ইয়াকুন। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজীম। আ’লামু আন্নাল্লাহা আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। ওয়া আন্নাল্লাহা ক্বাদ আহাতা বিকুল্লি শাইয়িন ইলমা। আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন শাররি নাফসী, ওয়া মিন শাররি কুল্লি দাব্বাতিন আনতা আ-খিজুম বিনাসিয়াতিহা। ইন্না রব্বী আলা সিরাতিম মুস্তাকীম।

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমার পালনকর্তা, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার ওপরই ভরসা করেছি। আপনিই সম্মানিত আরশের মালিক। আল্লাহ যা ইচ্ছা করেছেন, তাই হয়েছে। আর যা তিনি চাননি, তা হয়নি। আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি বা সামর্থ্য নেই। আমি জানি আল্লাহ সবকিছুর ওপর ক্ষমতাশালী এবং সবকিছুতে তাঁর পূর্ণ জ্ঞান বিদ্যমান। হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই আমার নিজের অনিষ্ট থেকে এবং প্রত্যেক প্রাণীর মন্দ থেকে, যাদের কপাল আপনি ধরে রেখেছেন। নিশ্চয়ই আমার রব সরল ও সঠিক পথে আছেন।

তাবারানী;আদ-দুআ ৩৪৩

اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ ﷺ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ بِكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ ﷺ وَأَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ الْبَلاَغُ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ َ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকা মিনহু নাবিইয়্যুকা মুহাম্মাদুন ﷺ ওয়া নাউযু বিকা মিন শাররি মাস্তাআ-যা বিকা মিনহু নাবিইয়্যুকা মুহাম্মাদুন ﷺ, ওয়া আংতাল-মুস্তাআনু, ওয়া আলাইকাল বালাগ, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে সেই সব কল্যাণ প্রার্থনা করি, যেসব কল্যাণের প্রার্থনা তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) করেছেন। আর সেই সব অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যেসব অনিষ্ট থেকে তোমার নবী (ﷺ) আশ্রয় নিয়েছেন। তুমি হলেন তিনি, যার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা যায়। সমস্ত বার্তাপ্রদান তোমার উপর নির্ভরশীল। আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই।

তিরমিযি ৩৫২১

ইবন উমর (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকালে এবং সন্ধ্যায় কখনোই নিম্নোক্ত কথাগুলো পড়া বাদ দিতেন নাঃ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ، وَأَهْلِي وَمَالِي. اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي. اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ مِنْ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي.

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল- ‘আ-ফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরাতি। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল-‘আ-ফিয়াতা ফী দীনী ওয়াদুনইয়াইয়া, ওয়া আহ্‌লী ওয়া মা-লী, আল্লা-হুম্মাসতুর ‘আওরা-তী ওয়া আ-মিন রাও‘আ-তি। আল্লা-হুম্মাহফাযনী মিম্বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খালফী ওয়া ‘আন ইয়ামীনী ওয়া শিমা-লী ওয়া মিন ফাওকী। ওয়া আ‘ঊযু বি‘আযামাতিকা আন উগতা-লা মিন তাহ্‌তী

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের সুস্থতা চাই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার ধর্মে, দুনিয়ায়, পরিবারে এবং সম্পত্তিতে ক্ষমা ও সুস্থতা চাই। হে আল্লাহ! আমার অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ঢেকে দিন এবং আমার ভয় শান্ত করুন। হে আল্লাহ! আমাকে সামনের দিক থেকে, পিছনের দিক থেকে, ডান ও বাম দিক থেকে এবং উপর থেকে রক্ষা করুন। আমি আপনার মহানত্বের দ্বারা আশ্রয় চাই যাতে আমি নিচ থেকে কোনো ক্ষতি দ্বারা অভিভূত না হই।

আল-আদাবুল মুফরাদঃ ১২০০

এই দোয়া নিয়মিত পাঠ করলে শয়তান ও দুষ্ট জিনের মন্দ প্রভাব থেকে নিরাপত্তা লাভ করা যায় এবং মনে-প্রাণে শান্তি আসে।

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّةِ، مِنْ غَضَبِهٖ وَعِقَابِهٖ وَشَرِّ عِبَادِهٖ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ وَأَنْ يَّحْضُرُوْنِ

উচ্চারণ: আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লাহিত্তা-ম্মাতি মিন গাদাবিহি ওয়া ইকা-বিহি ওয়া শাররি ‘ইবা-দিহি ওয়ামিন হামাযা-তিশ শায়া-তিনি ওয়া আই-ইয়াহদুরূন।

অর্থ: আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামসমূহের দ্বারা আশ্রয় চাই তাঁর ক্রোধ থেকে, তাঁর শাস্তি থেকে এবং তাঁর বান্দাদের অনিষ্ট থেকে, আর শয়তানদের কুমন্ত্রণা থেকে এবং তাদের উপস্থিতি থেকে।

সূনানে আবু দাউদ ৩৮৫৩

اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِوَجْهِكَ الْكَرِيْمِ ، وَكَلِمَاتِكَ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ ، اللَّهُمَّ أَنْتَ تَكْشِفُ الْمَغْرَمَ وَالْمَأْثَمَ ، اللَّهُمَّ لَا يُهْزَمُ جُنْدُكَ ، وَلَا يُخْلَفُ وَعْدُكُ ، سُبْحَانَكَ وَبِحَمْدِكَ

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযু বিওয়াজহিকাল কারীম, ওয়াকালিমা-তিকাত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা- আংতা আখিযুম বিনা-সিয়াতিহ। আল্লা-হুম্মা আংতা তাকশিফুল মাগরামা ওয়াল মা'ছাম। আল্লা-হুম্মা লা- য়ুহঝামু জুনদুক, ওয়ালা য়ুখলাফু ওয়া'দুক, সুবহানাকা ওয়াবিহামদিক

অর্থ:হে আল্লাহ! তােমার দয়ালু ও পবিত্র স্বত্বা আর তােমার পরিপূর্ণ কালেমার মাধ্যমে সেই সকল কিছুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যা তােমার আয়ত্বাধীন রয়েছে। হে আল্লাহ তুমি পাপ ও দেনা মুক্তকারী। হে আল্লাহ তােমার সেনাদল পরাস্থ হয় না আর না তােমার ওয়াদা ভঙ্গ হয়। আমরা তােমারই গুণকীর্তন ও প্রশংসা বর্ণনা করি।

মিশকাতুল মাসাবিহঃ ২৪০৩

রাসূল সাঃ প্রত্যেক সকালে এবং সন্ধায় তিনবার করে এই দোয়াটি পাঠ করতেন।

اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَدَنِيْ، اللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ سَمْعِيْ، اللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَصَرِيْ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، -

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাদানী, আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী সাম্‘ঈ আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাসারী। লা ইলা-হা ইল্লা আনতা।

অর্থ:হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার শরীরে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার শ্রবণশক্তিতে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

ফিকহুস সুনান ২৬৯৪

একদা রাসূল সাঃ হযরত ফাতিমা রাঃ কে বলেন, আমি তোমাকে সকালবেলা ও সন্ধায় এই দোয়াটি পাঠের উপদেশ দেই, তা শুনতে তোমার বাঁধা কিসে? আর দোয়াটি হল এইঃ

يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثُ، أَصْلِحْ لِيْ شَأْنِيْ كُلَّهٗ، وَلَا تَكِلْنِيْ إِلٰى نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ،

উচ্চারণ: ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যূমু বিরহ্‌মাতিকা আস্তাগীসু, আসলিহ্‌ লী শা’নী কুল্লাহু, ওয়ালা তাকিলনী ইলা নাফসী ত্বারফাতা ‘আইন।

অর্থ:হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী! আমি আপনার রহমতের অসীলায় আপনার কাছে উদ্ধার কামনা করি, আপনি আমার সার্বিক অবস্থা সংশোধন করে দিন, আর আমাকে আমার নিজের কাছে নিমেষের জন্যও সোপর্দ করবেন না।

হাকিম ১/৫৪৫

‘যদি কেউ সকাল-সন্ধ্যায় বিশ্বাসের সঙ্গে সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পাঠ করে, সে যদি ওই দিন রাত্রে বা দিবসে ইন্তেকাল করে, তাহলে সে জান্নাতি হবে।’

اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوْءُ بِذَنْۢبِيْ فَاغْفِرْ لِيْ فَإِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ.

উচ্চারণ:আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূউলাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী। ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা।

অর্থ:হে আল্লাহ্‌! আপনি আমার রব্ব, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আর আমি আমার সাধ্য মতো আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির উপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনি আমাকে আপনার যে নিয়ামত দিয়েছেন তা আমি স্বীকার করছি, আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ। অতএব আপনি আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করে না।

বুখারি ৬৩০৬

আবু বকর রাঃ একদিন বললেন "ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এমন কিছু বিষয় বলুন যা আমি সকাল সন্ধায় পাঠ করতে পারি। তিনি সাঃ বললেন, তুমি সকালে, সন্ধায় ও শয্যাগ্রহনের সময় বলবেঃ

اَللّٰهُمَّ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَاطِرَ السَّمٰوَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَّمَلِيْكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَ شِرْكِهِ ، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلٰى نَفْسِيْ سُوْءًا، أَوْ أَجُرَّهُ إِلٰى مُسْلِمٍ

উচ্চারণ:আল্লা-হুম্মা আ-লিমাল গাইবি ওয়াশ্‌শাহা-দাতি ফা-ত্বিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, রব্বা কুল্লি শাই’ইন ওয়া মালীকাহু, আশহাদু আল-লা ইলা-হা ইল্লা আনতা। আ‘উযু বিকা মিন শাররি নাফ্‌সী ওয়া মিন শাররিশ শাইত্বা-নি ওয়াশিরকিহী ওয়া আন আক্বতারিফা ‘আলা নাফ্‌সী সূওআন আউ আজুররাহূ ইলা মুসলিম

অর্থ:হে আল্লাহ! হে গায়েব ও উপস্থিতের জ্ঞানী, হে আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা, হে সব কিছুর রব্ব ও মালিক! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আমার আত্মার অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্টতা থেকে ও তার শির্ক বা তার ফাঁদ থেকে, আমার নিজের উপর কোনো অনিষ্ট করা, অথবা কোনো মুসলিমের দিকে তা টেনে নেওয়া থেকে।

তিরমিযি ৩৬২৯

এক রাতে জিন-শয়তানরা রাসূল ﷺ-কে আক্রমণ করতে চেয়েছিল। তাদের একজন আগুনের শিখা নিয়ে তাঁর মুখ জ্বালাতে এগিয়ে আসে। তখন জিবরাইল (আঃ) এসে বললেন: “হে মুহাম্মদ! আপনি এই দোয়া পড়ুন…” রাসূল ﷺ দোয়া পড়লেন— ফলে তাদের আগুন নিভে গেল এবং আল্লাহ তাদের পরাজিত করলেন।

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ الَّتِيْ لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ ، مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَذَرَأَ وَبَرَأَ ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيْهَا ، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِى الْأَرْضِ ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا ، وَمِنْ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ طَوَارِقِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمٰنُ

উচ্চারণ:আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্-তা-ম্মা-তিল্লাতী লা ইয়ুজাউইযুহুন্না বাররুন ওয়ালা ফা-জিরুম মিন শাররি মা খালাক্বা, ওয়া বারা’আ, ওয়া যারা’আ, ওয়ামিন শাররি মা ইয়ানযিলু মিনাস্ সামা-য়ি, ওয়ামিন শাররি মা যারাআ ফিল আরদ্বি, ওয়ামিন শাররি মা ইয়াখরুজু মিনহা, ওয়ামিন শাররি ফিতানিল-লাইলি ওয়ান-নাহা-রি, ওয়ামিন শাররি কুল্লি ত্বা-রিকিন ইল্লা ত্বা-রিকান ইয়াত্বরুকু বিখাইরিন, ইয়া রহ্‌মানু

অর্থ:আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না— আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

আহমাদ ১৫৪৬১